Showing posts with label Saint Martin. Show all posts
Showing posts with label Saint Martin. Show all posts

Thursday, April 17, 2014

সেন্ট মার্টিনের মৃত্যুফাঁদঃ হত্যা না দুর্ঘটনা ?

লিখেছেন জিয়া হাসান,

সেন্ট মার্টিনের আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির ছাত্রদের দুঃখ জনক মৃত্যুর পরে, ইনবক্সে এবং ওয়ালে সেন্ট মার্টিনের মাথার দিকের একটা কয় একটা ছবি সহ বেশ কিছু স্ট্যাটাস পড়লাম লেখা গুলোতে দেখলাম, সেন্ট মারটিনের দ্বিপের একটা ছবি যেইটা একটা কোনার মত অংশ বেরিয়ে আছে
আমার মনে হয়েছে- এই কোনাটা যদি রিস্কি হয়, তাহলে নিশ্চয়ই এইটা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে এই ধরনের প্রাকৃতিক বৈশিষ্ট্য আছে যেই সব বিচে সেখানে একই রকম দুর্ঘটনা হবে এবং নিশ্চয়ই এর কোন প্যাটার্ন থাকবে এই ব্যাপারে আরও কিছু স্টাডি করে কিছু জানলাম, সেইটা শেয়ার করছি
বাংলাদেশের সাথে পৃথিবীর অন্য সৈকতের মানুষ মারা যাওয়ার একটা পার্থক্য হল, ভাটার সময় কোন দেশে আপনাকে নামতেই দিবেনা কিন্তু, বাংলাদেশে অনেক মানুষ, ভাটার সময় পানিতে নামে ভেসে যায়, এই অজ্ঞানতার কারনে অনেক জীবন বিনষ্ট হচ্ছে কিন্তু পড়তে পড়তে জানলাম, ভাটার সময় মানুষের ভেসে যাওয়া বাদেও আর একটা বিপদজনক ইস্যু আছে এইটা সম্পর্কে আমাদের সচেতনতা অনেক কম
একে বলা হয়, রিপ কারেন্ট বাংলায় আমরা সুবিধার জন্যে এর নাম দিতে পারি উলটো স্রোত
সমুদ্র সৈকতে ৮০% মৃত্যু এই রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের জন্যে হয় এমনকি অস্ট্রেলিয়াতেও প্রতি বছর গড়ে ২২ জন মারা যায় রিপ কারেন্টের কারনে
আমাদের দেশেও সমুদ্র সৈকতে যেই সব মৃত্যু হয়, তার বেশীর ভাগ এই রিপ কারেন্টের জন্যেই হওয়ার কথা এবং সেন্ট মার্টিনের মাথার দিকে যে সরু অংশ তাও রিপ কারেন্টের একটা বৈশিষ্ট্যের সাথে মিলে
রিপ কারেনট বা উলটো স্রোত কি জিনিষ?


রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত
এইটা এক ধরনের ঢেউ যা সমুদ্রের তটে ধাক্কা খেয়ে, উলটো দিকে প্রবাহিত হয় অনেক ক্ষেত্রে, এই ধাক্কা খেয়ে ফিরে যাওয়া ঢেও বাতাস বা প্রাকৃতিক বিশিষ্টের কারনে চিকন একটা পথ ধরে, একটা ধাক্কা দিয়ে সমুদ্রে ফিরে যেতে পারে এবং এর ফলে সেই সরু পথে যদি কেউ থাকে তবে তাকে ধাক্কা দিয়ে গভির সমুদ্রে নিয়ে ফেলতে পারে এই সরু পথের যে ঢেউ টাকেই বলে রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত
আমি রিপ কারেন্টের কিছু ছবি দিচ্ছি-

উলটো স্রোতের ছবি

উলটো স্রোতের ছবি

উলটো স্রোতের ছবি
এইটা যে কোন স্থানে হতে পারে যে কোন সমুদ্রে হতে পারে, কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় প্রাকৃতিক বিশিষ্টের কারনে নিয়মিত রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত নিয়মিত হতে পারে
কিভাবে রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত চিনবেন?
রিপ কারেন্ট বা উলটো স্রোতের একটা ভয়ঙ্কর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এইটা দেখতে মনে হয় খুব শান্ত এবং উপর থেকে একে গাঢ় নীল দেখা যায় অনেক ক্ষেত্রে রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোতের সময়ে দেখবেন কিছু না কিছু ভেসে সাগরের দিকে যাচ্ছে বা আসে পাশের ঢেউ এর মধ্যে ঢেউ এর মাথা দেখা যাচ্ছে না(ছবি গুলো খেয়াল করুন)
রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোতে পড়লে কী করবেন?

উলটো স্রোতে কিভাবে বাচতে হবে

যারা সাতার জানেন তারা রিপ কারেন্টে পড়লে, উলটো দিকে তীরের দিকে না গিয়ে সৈকতের সমান্তরাল ভাবে উলটো স্রোত থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করতে হবে কারণ, সাগরের স্রোত যখন টান দিবে তখন শক্তি দিয়ে স্রোতের বিপরীতে ফেরা যাবেনা






সেন্ট মার্টিনের এই অংশটা একটা হেড ল্যান্ড বিশিষ্টের এলাকায় যেই খানে রিপ কারেন্ট ঘন ঘন হবে প্রাকৃতিক বিশিষ্টের কারনে। কারন বাতাসের কারনে দুই দিকের পানি ধাক্কা দিয়ে এর মাথায় একটা রিপ কারেন্ট তৈরি করতে পারে। এইটা একটা মৃত্যু ফাদ। এই খানে প্রাকৃতিক অবস্থানের কারনে অনেক বড় বড় চ্যানেল তৈরি হয়েছে যেই গুলো দিয়ে ঘন ঘন উলটো স্রোত বা রিপ কারেন্ট প্রবাহিত হয়। এবং শান্ত পানি দেখে নামা পর্যটকদের ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

সেন্ট মার্টিনের এলাকাবাসি জানে এই এলাকায় সাতার কাটতে নাই। তাই সামনে কাউকে দেখলে এরা মানা করে। কিন্তু সেটা সবাই জানার সুযোগ হয় না। এভাবেই সামান্য অসাবধানতার কারনে অনেক পর্যটক মারা যায়।

আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটির এতগুলো ছাত্র মারা গেলো, তারা খুব সম্ভব এই এলাকায় ফিক্সড মাস্ট হেড রিপ কারেন্টের কারনেই পানিতে ভেসে গেছে। বেশ কিছু লিঙ্ক পেলাম, যাতে জানতে পারলাম প্রতি বছর এই এলাকায় অনেকেই ভেসে যায়। বাংলাদেশে এতো বছরে ধরে এই এলাকায় এতো মানুষ মারা গেল, এলাকার লোক জানে যার কথা সেই জায়গায় কেন সাতার নিষিদ্ধ করছেনা ? এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি করছেনা। সেই প্রশ্ন আমাদেরকে করতেই হবে।

এটা একটা বেসিক জিনিষ যা অল্প আধ ঘন্টার গুগুল সার্চে জানা যায়।

এইটা কেন আমাদের সরকার জানতে পারবেনা এবং জনগনের নিরাপত্তার জন্যে কক্সবাজার এবং সেন্ট মার্টিনের জন প্রতিনিধি এবং প্রশাসন কেন একটা ওয়ার্নিং দিয়ে রাখতে পারে না ?

এই গুলো কোনটাই দুর্ঘটনায় মৃত্যু নয়, এই গুলো হত্যা। এর জন্যে দায়ী এই রাজনীতিকিকৃত প্রশাসন এবং অপরাজনীতি।

রিপ কারেন্ট বা উল্টো স্রোত যে কোন সৈকতে হতে পারে। এবং শান্ত অংশ যেখানে মনে হবে, সেখানেই এইটা বেশী দেখা যায়। ফলে এই ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে।

আমি অল্প পড়াশোনা করে যা জানলাম তা শেয়ার করলাম। আমি যেই লিঙ্ক গুলো থেকে এই বিষয়ে জানতে পেরেছি সেগুলো দিলাম সবার জানার জন্যে। যাতে আরও জানতে চাইলে আপনেরা আরও গভিরে যেতে পারেন।

আহসানউল্লাহ ইউনিভার্সিটির যেই সব ছাত্র সাগরের ভেসে তাদের পরিবারকে শোকের সাগরে ভাসিয়ে মারা গেছেন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করছি।

সেন্ট মার্টিনের ঘটনা নিয়ে মিডিয়ার যত মিথ্যাচার এবং ভুলভ্রান্তিঃ জাওদাত রহমান এর বক্তব্য



আহসানউল্লাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছয় জন ছাত্রের করুন মৃত্যু নিয়ে জাওদাত রহমান ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি ওই ৩৪ জনের দলে ছিলেন, এবং মৃত্যুমুখ থেকে বেচে এসেছেন তার লেখায় মিডিয়ায় বিভিন্ন রকমের ভুল প্রচারের ব্যাখ্যা তুলে ধরা হয়েছে পাঠকদেরকে সঠিক তথ্য পরিবেশনার জন্য ওই পোষ্টটি এখানে হুবহু প্রকাশ করা হলো

অনেক পেপারে, খবরের চ্যানেলে অনেক সংবাদ দেয়ার পরও আমার কথা প্রকাশ করা হয় নি! সত্যটাকে বার বার ঘোলাটে করা হচ্ছে ধিক্কার বাংলাদেশের সংবাদ পত্র, টিভি চ্যানেল , পুরো মিডিয়া আর সেই সকল মানুষ কে যারা না জেনেই নিজের মতামত দিয়ে ফেইসবুকে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করছেন!

প্রথমেই বলে নেই যেই ছবি টা শেয়ার করে সবাই মৃত্যুর ফাদ সনাক্ত করছেন এখানে লাল মার্ক করা জায়গার আশে পাশেও আমরা ছিলাম না! এর অনেক বামে উত্তর বীচের নীল চিহ্নিত অংশেই আমাদের সবাই ছিল! (উপরের ছবিটি দেখুন)
 বিপদজনক সম্পূর্ণ জায়গাটুকু শেয়ার করলেই তবে আরেকটা জীবন বাচতে পারবেন শেয়ার করার আগে একটু জেনে পড়ে শেয়ার করুন

তখনও আমি বন্ধুর দেহগুলো জীবিত কি মৃত এটাও সিউর হতে পারিনি আমাকে একুশে টিভি থেকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করলঘটনা কি একটু খুলে বলুন”, হাতে বন্ধুর লাশটাকে মাত্র স্পিড বোর্ড থেকে নামালাম মানবতাকর্মী ফোনে জিজ্ঞেস করলকেমন লাগছে আপনার”? এই ছিল বাংলাদেশ এর মানবতা কর্মী এবং সাংবাদিকদের মানবতার অবস্থা! যাই হোক মেনে নিলাম তারা তাদের কাজ করছিল এটা করার জন্যই তাদের পারিশ্রমিক দেয়া হয় তবে প্রশ্ন করারও একটা গাইড বুক থাকা উচিৎ তাই না?
তাহলে যেই কাজটার জন্য আপনাদের রাখা হয়েছে ওই কাজটা তো আপনারা ঠিক মত করবেন! মানুষদের সঠিক তথ্য দেয়া তো আপনাদের কর্তব্য তাই না! ফেসবুক/সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা ভুল খবর প্রচারিত হতেই পারে; কারণ এই খবরটি দেয়া তার পেশা নয়! এই খবর মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য তাদের রাখা হয় নি! আপনারা কেন মিথ্যা সংবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন!

সংবাদ পত্র এবং মানুষের ছড়ানো কিছু মিথ্যা সংবাদগুলোর কিছুটা বললাম কারণ সংখ্যায় এতই বেশি ছিল যে এর সব গুলো বলাও সম্ভব না! প্রথমে ইন্ডিপেনডেন্ট টিভিতে বলা হয়, কোস্ট গার্ড বার বার মানা করার পরেও, সঙ্কেত দেয়ার পরও ছেলেরা পানিতে লাফালাফি করছিল এবং অনেক দুরে চলে যায়

যেখানে ওই সময় সেখানে কোন কোস্ট গার্ডই ছিলনা একজন কোস্ট গার্ডও ঘটনা স্থলে অথবা ঘটনা ঘটার ১০-১৫ মিনিট এর সময় ব্যাবধানে থাকলেও আমাদের একটি প্রাণও যেত না। এটিএন বাংলা-তে বলা হয়েছে, ঘটনা স্থলে লাল পতাকা দেয়া ছিল ছেলেরা তা খেয়াল করে নি

কিন্তু সত্য হল লাল পতাকা দেয়া হয়েছে আমাদের জন এর মৃত দেহ পাওয়ার পর এবং জন নিখোঁজ হয়ার পর আমাদেরই চাপে, আমাদেরই বলাবলির পর, পরের দিন রোজ ১৫ এপ্রিল সকাল ঘটিকায় (নিশ্চিত করতে স্থানীয়দের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন)

জনৈক বুদ্ধিজীবী প্রশ্ন তুলেছেনশিক্ষা সফরে শিক্ষক নেই কেন?”

এটা কোন শিক্ষা সফর ছিল না আমরা গত এপ্রিল আমাদের ভার্সিটি জীবনের অধ্যায় শেষ করি আমাদের শেষ পরীক্ষা দেয়ার মাধ্যমে আগেই প্ল্যান ছিল সবাই মিলে ঘুরতে যাব সেন্ট মার্টিন ২৩-২৪ বছরের ভার্সিটি পাশ ছেলেদের এই ঘুরতে আসায় শিক্ষক বা গার্জিয়ানদের টেনে এনে কেন আসল ব্যাপারটা ঘোলাটে করা হচ্ছে? আঙ্গুল তুলতেই যদি হয় আসল খবরে আঙ্গুল তুলুন!

মাত্রই তীরে ভিড়ানো ফারহান শোভন আর আশিফ মজতুবা তখন মাটিতে শুয়ে আছে তখন তাদের ছবি তুলে ছাপানো হল এরা মারা গেছেএই হচ্ছে আমাদের দেশের সংবাদপত্র আর সাংবাদিকতার নমুনা? মানুষের মৃত্যু নিয়ে অন্ততঃ একটু গুরুত্বের সাথে লিখুন

লাশ সনাক্ত করার জন্য আমাদের ছবি দেয়া হল; আমরা তখনও লাশ সনাক্ত করে বলিও নাই; এর আগেই সকল খবরের চ্যানেল বলে দিল এটা সাব্বির হাসান-এর লাশ

লাশ টা ছিল শাহরিয়ার নোমান এর না জেনে এভাবে সকল খবরের চ্যানেল কিভাবে একটা ভুল সংবাদ প্রচার করতে পারে! কিভাবে ? আমি নিজে মাছরাঙ্গা সহ আরও কিছু টিভি চ্যানেল নিশ্চিত করেছিলাম যে দয়া করে সত্য নাম ছাপান বিভ্রান্ত করার সংবাদ দিবেন না এর পরও ঘন্টা দেড়েক পরে দেখি মাছরাঙ্গাও বাকি সব চ্যানেল এর মত মৃত দেহের নাম দেখাচ্ছে সাব্বির

এত ভয়ঙ্কর একটা এলাকা, স্থানীয়রা পরে আমাদের বলল এই একই এলাকায় প্রতি বছর লোক মারা যায়, বছর খানেক আগে ফ্ল্যাগও নাকি ছিল তাহলে কথায় গেল সেই লাল ফ্ল্যাগ?

বাইরের মানুষ কিভাবে জানবে এইখানে একটা খাদ আছে? প্রসাশন থেকে কোন প্রকার সতর্কতা দেয়া হয়নি হোটেল (sand shore) আমাদের সতর্ক করেনি কেন হোটেল থেকে জানানো হল না, কেন এই রকম জায়গায় একটা সাইনবোর্ড নেই? কেন কোন প্রকার রেস্কিউ টিম নাই,হয়ত ১০ মিনিট পরও একটা রেস্কিউ টিম পেলেও মানুষ গুলি বেচে যেত

লোকাল মানুষ জনকে না বাচালে তারাও মারা যেত অন্তত ১২ জন মানুষ আমরা মারা যেতাম ওখানে

তীরে কোন টিউব ছিল না রেস্কিউ টিউব নেই, কেন তীরের আশে পাশে কোন টিউব থাকবে না এত বড় পর্যটন স্থানে? বলে নেয়া ভাল আমরা এমন কোন তীরে যাই নি যেখানে আমরা একা ছিলাম কিংবা যেখানে সচরাচর মানুষ যায় না উত্তর বিচ বলে ওই জায়গাটাতেই সেন্ট মার্টিনে সবাই বিচে নামে ঘাটির প্রান্তে কেউ নামে না যারা সেন্ট মার্টিন যান, তারা সবাই জানেন তীরে কোন দিকে মানুষ সাতার কাটতে নামে

বন্ধুদের দেহ ভ্যান তুলে সেন্ট মার্টিনে কোন চিকিৎসক বা হাসপাতাল পেলাম না! নুন্যতম প্রাথমিক চিকিৎসা করার মতও কোন সাহায্য পেলাম না হয়তো ওই প্রাথমিক চিকিৎসাটুকু পেলেও কিছু জীবন বাঁচে কেন থাকবে না কোন চিকিৎসা ব্যবস্থাআসল সংবাদ না ছাপিয়ে, মানুষ গুলোর নামও ঠিক মত না ছাপিয়ে ভুল সংবাদ দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার আর আমাদের পরিবার আর শিক্ষকদের লাঞ্ছনা দেয়ার অধিকার মিডিয়াকে কে দিয়েছে?

আমাদের দুর্বলতা, আমাদের শিক্ষক, বাবা-মা নিয়ে সবাই কথা বলছে অথচ কেউ প্রসাশনের চরম দুর্বলতা, অবহেলা আর দায়িত্বহীনতা নিয়ে নিউজ দিল না কেউ না গত কয়েক বছরে এই একই জায়গায় ১৪ জন ( আমাদের সহ) ছেলে মারা গেল আর কতটা মায়ের বুক খালি হলে আর কতটা স্বজন হারালে প্রসাশন ব্যাপারটা কে গুরুত্বের সাথে নিবে?

যেই খবর গুলো ছাপালে ভবিষ্যতে মানুষের জীবন বাঁচবে, আর হারাবোনা ছেলে, মেয়ে, সন্তান, ভাই বা বন্ধুকে সেগুলো আগে ছাপান এরপর না হয় আমাদের দোষ, দুর্বলতা, কান্ডজ্ঞ্যানহীনতা নিয়ে কথা বলবেন

আমাদের দোষ তো ছিলই! অবশ্যই আমারা ঘুরা পাগল ছেলেরা সব সময় বাংলাদেশ এর সৌন্দর্যই দেখতে যেতাম, চেতাম! বাংলাদেশ যে ঘুরার জন্য নয়! বাংলাদেশ যে কোন পর্যটন নেই এটা সবার জানা উচিৎ ছিল আমাদের তাহলেই আর হারাতাম না বাপ্পি, সাব্বির, অঙ্কুর, নোমান, ইভান আর উদায়কে